• আজ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীর আলোচিত ঠিকাদার বাদলের হাতে মার খেলেন এলজিইডির দুই প্রকৌশলী

| নিজস্ব সংবাদদাতা ১০:৪২ অপরাহ্ণ | মার্চ ৬, ২০২২ Breaking, জাতীয়
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকপটুয়াখালীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুই কর্মকর্তাকে প্রভাবশালী এক ঠিকাদার মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে দুমকী উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল (এলজিইডি) দপ্তর ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পটুয়াখালী এলজিইডি কর্মকর্তাকর্মচারীদের মধ্য ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মারধরের শিকার দুমকী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আবদুস সালাম জানান, ২০১৬ সালে পটুয়াখালী মেসার্স পল্লী ট্রেডার্স এর মালিক গোলাম সরোয়ার বাদল ওরফে মেয়র বাদল দুমকী উপজেলার পাঙ্গাশিয়ার ব্রীজ নির্মান করেন। কাজ শেষ হলেও র্নিমানাধীন ব্রীজে নানা ত্রুটি থাকায় কাজের অনুকুলে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। এরপরেও ঠিকাদার বাদল শতভাগ বিল দাবী করে। তার অযোক্তিক দাবীর বিপরীতে আমরা আপত্তি দেই এবং উল্লেখিত প্রকল্পে যৌথ মেজরমেন্ট করে বাকি বিল পরিশোধ করা হবে বলে জানাই। ঘটনায় ঠিকাদার বাদল রাগান্বিত হয়ে আজ রোববার অফিসে ডুকে আমাকে চরথাপ্পর শুরু করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নাজিম উদ্দীন জানান, ঠিকাদার বাদল তার কক্ষে গিয়ে বিল নিয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী পটুয়াখালীর সাথে আলোচনা সমন্বয় করার পরামর্শ দেয়। সময় কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই বাদল চেয়ার ছুরে তার গায়ে মারে এবং বাম গালে চরথাপ্পর মারেন। এক পর্যায় তার কোমরে থাকা পিস্তল খোজে আমাদের ভয়ভীতি দেখায়। তাদের ডাকচিৎকারে উপজেলা পরিষদের অন্যান্য লোকজন এসে তাকে নিবৃত্ত করেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে বেলা দেড়টার দিকে পটুয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) জিএম শাহাবুদ্দিন এর সাথে কথা বলতে তার মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, একটি জরুরী মিটিংয়ে আছি। পরে কথা হবে।

বিষয়ে অভিযুক্ত পটুয়াখালী মেসার্স পল্লী ট্রেডার্স এর মালিক গোলাম সরোয়ার বাদল বলেন, পুরোনো একটি বিল নিয়ে (এলজিইডি) টালবাহানা করে এবং দুমকী উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী আ. সালাম বড় অংকের টাকা দাবী করে। আমি তার দাবীর সব টাকা দিতে না পারায় বিল দিতে অনিহা প্রকাশ করে। এ বিষয় নিয়ে তাদের সাথে ঝামেলা হয়েছে।

 

 

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন মেইলে -