• আজ ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রন পেলো জামাত-শিবির, বঞ্চিত প্রথম সারির মিডিয়ার সাংবাদিকরা

| নিজস্ব সংবাদদাতা ১০:৫৭ অপরাহ্ণ | মার্চ ২১, ২০২২ Breaking, জাতীয়
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক- পটুয়াখালীতে প্রশাসনের উদাসিনতায় পায়রা তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রন পেলো জামাত-শিবির পন্থি একাধিক সাংবাদিক। বঞ্চিত হলেন প্রথম সারির মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকরা। ক্ষোভ জানিয়েছেন পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবের একাধিক সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। দায়ী করেছেন প্রশাসনের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা জামাত-বিএনপি চক্রকে। সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবী করেন তারা।

একটি নির্ভরসুত্র জানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের কার্যকরি কমিটির ১০ জন সাংবাদিককে নিমন্ত্রন পত্র দেয়া হয়। আসন সংকট এবং নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে দৈনিক জনকন্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক মানবকন্ঠ, যমুনা টেলিভিশন, সময় টেলিভিশন, ইন্ডেপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, আরটিভি, জিটিভিসহ দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোকে নিমন্ত্রন করা হয়নি। অথচ ওই অনুষ্ঠানে এসএ টিলিভিশনের পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ও শিবির ক্যাডার জহিরুল ইসলামসহ কতিপয় জামাত-শিবির পন্থি সাংবাদিকদের নিমন্ত্রন করা হয়।

এদের মধ্যে কতিপয় ব্যক্তির নামে পুলিশের মহা পরিদর্শক বরাবরে সরকার বিরোধী কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগ এনে আবেদন করেন জনৈক নাঈম নামের এক ব্যক্তি। এ অভিযোগের বিষয়ে বর্তমানে একটি তদন্ত চলমান রয়েছে বলে গোয়েন্দা সুত্র নিশ্চিত করেছেন। এমন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থলে কিভাবে নিরাপত্তা ক্লিয়ারেন্স পেয়ে প্রবেশ করে তা রহস্যজনক।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মুজাহিদ প্রিন্স জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সদস্যদের ১০টি নিমন্ত্রন পত্র দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ৮টি নিমন্ত্রন পত্র দেয়া হয়। এর বাইরে আর কোন সাংবাদিককে নিমন্ত্রন পত্র  দেয়া যাবে না বলেও জানানো হয়। প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক হওয়ার পরও তাকে সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে নিমন্ত্রন দেয়া হয়েছে। প্রথম সারির গনমাধ্যমের সাংবাদিকদের নিমন্ত্রন না দিয়ে শিবির ক্যাডারদের নিমন্ত্রন করার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানান।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য হুমকী। চিহ্নিত শিবির ক্যাডাররা কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেলো, কারা তাদের নিরাপত্তা পাস দিলো এবং দাওয়াত কার্ড ছাড়া তারা কিভাবে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলো তার তদন্ত করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন এ ঘটনার সাথে জড়িতদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহনেরও দাবী জানান এই নেতা।

 

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন মেইলে -