• আজ ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 পটুয়াখালীতে সাংবাদিকের উপর শিবির কর্মীর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন | পটুয়াখালীর দশমিনায় হাঙ্গার প্রজেক্টের টাউনহল মিটিং | পটুয়াখালীতে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্ম বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা | সব ক্ষেত্রেই অসামান্য মেধা ছিল শেখ কামালের | কোভিড-১৯ প্রতিরোধে কুয়াকাটায় হাঙ্গার প্রজেক্টের গান ও নাটক অনুষ্ঠিত | পটুয়াখালীর গলাচিপায় হাঙ্গার প্রজেক্টের টাউনহল মিটিং | মির্জাগঞ্জে হাঙ্গার প্রজেক্টের টাউনহল মিটিং | কলাপাড়ায় কোভিড-১৯ প্রতিরোধে হাঙ্গার প্রজেক্টের টাউনহল মিটিং | পটুয়াখালীতে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ প্রকল্পের সফলতার গল্প লেখা বিষয়ক কর্মশালা | পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ প্রকল্পে ধর্মীয় নেতাদের কর্মশালা |

বহু কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের সেতুর দুয়ার খুললো আজ

| নিজস্ব সংবাদদাতা ৪:০৮ অপরাহ্ণ | জুন ২৫, ২০২২ Breaking, জাতীয়
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক- উদ্ধোধনের মধ্যদিয়ে বহু কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের সেতুর দুয়ার খুললো । আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খুলে গেল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের অপর অংশের সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার দুয়ার।

মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে টোল দিয়ে গাড়িতে সেতু পার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অপর প্রান্তে ফলক উন্মোচনের পর সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

দক্ষিণ বঙ্গের নানা প্রান্ত থেকে আজ ভোর থেকেই  সেখানে মানুষের ঢল নামে। আর সমাবেশে অংশ নেয় কয়েক লাখ মানুষ।

এছাড়া সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে হেলিকপ্টার যোগে মাওয়া সমাবেশ স্থলে এসে সুধী সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে ২০০১ সালের ৪ জুলাই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পর ২০১২ সালের ২৯ জুন অর্থায়ন বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। ২০১২ সালের ৯ জুলাই নিজের টাকায় নির্মাণের ঘোষণা দেয় সরকার। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর মূল সেতুর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সেতুর অবস্থান। মাওয়া ও জাজিরা উপজেলা দুটিকে সংযুক্ত করেছে সেতুটি। এ দুই অঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা একান্ত প্রয়োজন ছিল। তাই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৯টি জেলাকে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করতে কোটি জনতার সময়ের দাবি ছিল পদ্মার দুপারের সেতুবন্ধন। এতে করে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল থেকে ঢাকার দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার কমল। ঢাকা ও বেনাপোল স্থলবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হলো। পদ্মা সেতুতে রেললাইন থাকায় ট্রান্স-এশিয়ান রেল নেটওয়ার্ক এবং ঢাকা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে।

চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেললাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন মেইলে -