• আজ ২১শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 পটুয়াখালীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন | টাইপিষ্ট থেকে অডিটর, রব এর বিরুদ্ধে ঘুষ- দূর্নীতির নানা অভিযোগ। পর্ব-৫ | পটুয়াখালীতে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের কর্মশালা | পটুয়াখালীতে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে হাঙ্গার প্রজেক্টের মতবিনিময় সভা | টাইপিষ্ট থেকে অডিটর, রব এর বিরুদ্ধে ঘুষ- দূর্নীতির অভিযোগ। পর্ব-৪ | সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে ‍শেখ মিলির শোক | সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আজকালের সংবাদ পরিবারের শোক | সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী আর নেই | সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক | টাইপিষ্ট থেকে অডিটর, রব এর বিরুদ্ধে ঘুষ- দূর্নীতির নানা অভিযোগ। পর্ব-৩ |

টাইপিষ্ট থেকে অডিটর, রব এর বিরুদ্ধে ঘুষ- দূর্নীতির নানা অভিযোগ। পর্ব-২

| নিজস্ব সংবাদদাতা ৬:৪৮ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২, ২০২২ Breaking, সারাবাংলা
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক- ঘুষ-দূর্নীতির, শীর্ষে পটুয়াখালী এজি অফিসের অডিটর আবদুর রব। অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। পৌর এলাকায় নির্মান করেছেন ২ (দুই) কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ তলা বিশিষ্ঠ বিলাসবহুল বাড়ী। আত্নিয়-স্বজনদের নামে কিনেছেন জমি। আর নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে রেখেছেন কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ স্থানীয়দের।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, আবদুর রব ২০১৭ সালে অডিটর হিসেবে পটুয়াখালী জেলা একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসে যোগদান করার পর  নিয়ম-বর্হিভূতভাবে শিক্ষা বিভাগ,  এলজিইডিসহ একাধিক দপ্তরের কর্মচারীদের উন্নয়ন ও রাজস্বখাত গণনা করে টাইমস্কেল প্রদান করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। এই অবৈধ অর্থ দিয়ে তিনি পটুয়াখালী পৌর শহরে ২ (দুই) কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান করেছেন পাঁচ তলা বিশিষ্ঠ বিলাসবহুল বাড়ী। জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে কিনেছেন জমি। আর ব্যাংকে রেখেছেন কোটি কোটি টাকা।

এর আগে ১৯৯০ সালের ১১ জানুয়ারী আবদুর রব টাইপিষ্ট পদে যোগদান করেন। আর যোগদানের পর থেকেই শুরু করেন জাল-জালিয়াতিসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ড। ১৯৯৭ সালে গ্রাহকের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্নসাধ করার ঘটনায় কর্তৃপক্ষ সাময়িক বরখাস্ত করেন আবদুর রবকে। পরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ওই আদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং ২০১৫ সালে অবৈধ পন্থায় অডিটর পদে পদোন্নতি লাভ করেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ন সরকারী অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিল/ভ্রমন বিলসহ অন্যান্য বিল এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারদের বিল পাস করার লক্ষে প্রস্তুতকারীর দায়িত্ব নেন  আবদুর রব। তবে এ সকল কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষে তিনি কোন কাগজপত্র নিজ হাতে না লিখে দীর্ঘদিন যাবৎ বহিরাগত পাঁচ ব্যক্তিকে দিয়ে লিখার কাজ  সম্পাদন করে আসছেন। আর তিনি শুধু স্বাক্ষর করছেন।

এছাড়া নারী কেলেংকারীসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগও রয়েছে আবদুর রব এর বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসের অডিটর আবদুর রব বলেন, তিনি চাকুরী করেন এবং তার প্রথম স্ত্রী বহু বছর যাবৎ ঠিকাদারী পেশায় নিয়োজিত আছেন, ৫তলা বিল্ডিং করতে সমস্যা কি ? তবে তার স্ত্রীর লাইসেন্সে কোন কাজ না করলেও নামমাত্র লাইসেন্স দেখিয়ে নিজের দূর্নীতি আড়াল করার চেস্টা চালাচ্ছেন অডিটর আবদুর রব।

–চলবে–

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন মেইলে -