• আজ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দেশের মানুষের কল্যাণে ও মানুষের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছি ; প্রধানমন্ত্রী

| নিজস্ব সংবাদদাতা ৩:৪১ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৪, ২০২২ Breaking, জাতীয়
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মানুষের কল্যাণে ও মানুষের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছি। একটি লোকও দরিদ্র, গৃহহীন-ভূমিহীন থাকবে না। একটি লোকও অশিক্ষায়, অন্ধকারে থাকবে না। এদেশের মানুষকে চাই একটা উন্নত জীবন দিতে।

আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু তাকে সেটা করতে দেওয়া হয়নি। যদি সেটা করতে পারতেন তাহলে সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যে বিশ্বের বুকে দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থান করে নিত। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য ৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করে একাধারে সেনাপ্রধান, অপরদিকে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। খুনিদের ইনডেমনিটি দেওয়া হয়, যাতে তাদের বিচার না হয়। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। তাদের সবাইকে মুক্তি দিয়ে ক্ষমতায় বসায় জিয়াউর রহমান। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কার দেওয়া হয়। বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুরু হয়। আর আমরা যাতে দেশে আসতে না পারি সেই নির্দেশ দেয়। এমনকি রেহানার পাসপোর্টটাও রিনিউ করে দেয়নি জিয়াউর রহমান। নিষেধ করে দিয়েছিল। ৬ বছর বিদেশে ছিলাম। পরে একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে দেশে ফিরে আসি।

বিএনপির গঠনতন্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তারা নিজেরাই নিজেদের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে চেয়ারম্যান করে রেখেছে। আমার মা-বাবা, ভাই হত্যার আসামি জিয়াউর রহমান। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের দল আবার এতো কথা বলে কী করে? বিএনপি ক্ষমতায় এসে আমাদের যত নেতাকর্মীকে নির্যাতন করেছে, সেই তুলনায় আওয়ামী লীগ কিছুই করেনি।

এর আগে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

গত ১৭ অক্টোবর তফসিল ঘোষিত ৬১টি জেলা পরিষদের মধ্যে ৫৭টির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভোলা ও ফেনী জেলার সব কয়টি পদে একক প্রার্থী থাকায় নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি।

নির্বাচনে ২৬ জন চেয়ারম্যান, ১৮ জন নারী সদস্য ও ৬৫ জন সাধারণ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। সব কয়টি পদে একক প্রার্থী থাকায় ভোলা ও ফেনী জেলা পরিষদে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। আর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নোয়াখালী জেলা পরিষদের ভোট স্থগিত হয়।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন সময়ের সংবাদে । আজই পাঠিয়ে দিন মেইলে -